গ্রেফতারকৃত মো. মামুন সদর উপজেলার দাদপুর ইউনিয়নের হানিফের ছেলে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু সাহাদাত হোসেনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা অভিযুক্ত খতনাকারী মামুনকে আটক করেন।
.png)
আহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়ির নিজাম উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে শাহাদাতের খতনা করতে অভিযুক্ত মামুন উপজেলার নদনা ইউনিয়নের বুরপিট গ্রামের বুরপিট দক্ষিণ সরকার বাড়িতে আসেন। এরপর খতনা করতে গিয়ে খুর চালিয়ে শিশু শাহাদাতের লিঙ্গের মাথা কেটে মাটিতে ফেলে দেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় লিঙ্গের কাটা অংশসহ শাহাদাতকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার তানভীর হায়দার ইমন বলেন, হাজাম দ্বারা খতনা করতে গিয়ে ঐ শিশুর লিঙ্গের সামনের অংশ কেটে ফেলে দেয়। পরে রোগীর স্বজনেরা লিঙ্গের কাটা অংশসহ তাকে এ হাসপাতালে নিয়ে আসে। এখানে লিঙ্গের কাটা অংশ ফ্রিজআপ করে রোগীর স্বজনদের বুঝিয়ে দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু সার্জারি বিভাগে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সোনাইমুড়ী থানার ওসি বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, শিশুর লিঙ্গ কর্তনের অভিযোগে খতনাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত শাহাদাত হোসেনের নানা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। ঐ মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।