শুক্রবার বিকেলে কাস্টমস অফিস ও আখাউড়া-আগরতলা সড়কে দু’দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. কামরুল পারভেজ আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
বাকি দুই আহত হলেন- কাস্টমসের সিপাহি পদে কর্মরত মো. জুম্মন ও মো. ইমন মিয়া। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো।
.png)
স্থানীয় ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে ভারতফেরত একাধিক যাত্রী ৭-৮টি ব্যাগে করে প্রচুর মালামাল নিয়ে আসেন। কিন্তু লাগেজ স্ক্যানিংয়ের কক্ষে না নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে ফেলা হয়। তখন কাস্টমসের পক্ষ থেকে এসব পণ্য স্ক্যানিং কক্ষে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয় স্থানীয় চক্রটি।
তারা এ নিয়ে কাস্টমসের লোকজনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এরই ফাঁকে মালামাল নিয়ে ঐ অটোরিকশা সটকে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষও তাদের পিছু নেয়। বিজিবি ক্যাম্প পার হওয়ার পর অটোরিকশাটি আটক করা হলে চক্রটি কাস্টমসের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে কাস্টমসের তিনজন আহত হন। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরকে উদ্ধার করেন।
আহত সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মো. কামরুল পারভেজ বলেন, ‘৭-৮টি ব্যাগে বিপুল পরিমাণ মালামাল ছিলো। স্ক্যানিং করতে রাজি না হয়ে তারা উল্টো ক্ষিপ্ত হয়। একপর্যায়ে অটোরিকশা নিয়ে চলে যায়। কিছুদূর যাওয়ার পর আটক করা হলে কবির, আওলাদসহ কয়েকজনের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা হয়।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মাল নিয়ে আসা যাত্রী ভারতীয় নাকি বাংলাদেশি সেটি জানা যায়নি। তবে তাদের সঙ্গে স্থানীয় একটি বড় চক্র রয়েছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।