জানা যায়, বুধবার সকালে কাজী হুমায়ুন কবির তার স্ত্রী কোমল বেগম, বোন নাসিমা বেগম, আসমা বেগম, সালমা বেগমসহ সাতজন ঢাকা থেকে মাইক্রোবাস ভাড়া করে মাদারীপুরের ডাসারে নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা দেন। পথে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ছাগলছিড়া এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা গ্লোবাল পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চার নারী যাত্রী ও চালক ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
এ ঘটনায় আরো চারজন আহত হন। তারা হলেন- কাজী হুমায়ুন কবির, খায়রুল আলম কাজী ও নাজমা বেগম। অন্যজন বাসের যাত্রী। আহতদের মধ্যে কাজী হুমায়ুন কবির ও নাজমা বেগমকে বুধবারই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
.png)
নিহতদের ভাতিজা কাজী কাজল বলেন, আমার ৫ ফুপু। এভাবে তিন ফুফু ও এক চাচি মারা যাবে কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। এতো বড় শোক মেনে নেয়া খুব কঠিন।
আরেক ভাতিজা কাজী আসাদ বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে আমার ফুপু নাসিমা বেগম ও আসমা বেগম এবং চাচি কোমল বেগমের মরদেহ গোপালপুরের গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। রাতেই জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়েছে। আরেক ফুপু সালমা বেগমকে তার শ্বশুরবাড়ি গোপালগঞ্জের পৌর এলাকায় দাফন করা হয়েছে।
নিহত কোমল বেগমের মেয়ে কাজী পলি বলেন, পারিবারিক কাজে মা গ্রামের বাড়িতে যান। দুদিন থেকে ফিরে আসার কথা ছিল। কিন্তু তার আর ফিরে আসা হলো না। মায়ের এ মৃত্যু আমাদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।
ডাসার থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, একই পরিবারের চারজন সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। নিহতদের মধ্যে তিনজনকে তাদের গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়েছে।