নিখোঁজরা হলেন, উপজেলার হোয়াইক্যং রোজারঘোনা এলাকার আমির হোসেনের ছেলে অলি আহমদ (৩২) ও কম্বনিয়াপাড়া এলাকার মোহাম্মদ ফিরোজের ছেলে নুর মোহাম্মদ (১৭)।
স্থানীয়রা জানান, টেকনাফের পাহাড়ে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের বিচরণ বেড়েছে। তারা স্থানীয় বাসিন্দাদের অপহরণ করে অর্থ দাবি করার জন্য ওত পেতে রয়েছে। ক্যাম্পের পাশাপাশি রোহিঙ্গা দুর্বৃত্তরা এখন স্থানীয়দের বসতির কাছাকাছি অবস্থান করছে। ফলে আতঙ্ক বিরাজ করছে স্থানীয়দের মাঝে। রোহিঙ্গাদের কারণে অনিরাপদ হয়ে উঠেছে উখিয়া-টেকনাফের জনপদ।
.png)
হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় দুইজন রাখাল পাহাড়ে গরু চরাতে যান। প্রতিদিন বিকেলে তারা গরু নিয়ে ফিরে আসেন। মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ফেরত না আসায় স্থানীয় লোকজন পাহাড়ে গিয়ে গরুগুলো পেলেও দুইজনের কোনো সন্ধান পাননি। ধারণা করা হচ্ছে, পাহাড়ে থাকা রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা মুক্তিপণের জন্য তাদের অপহরণ করেছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, অপহরণের বিষয়ে এখনো কেউ তাদের জানাননি। এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত এক বছরে টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১০৯ জনকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে ৫৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা, বাকিরা রোহিঙ্গা নাগরিক। অপহরণের শিকার ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৫১ জন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে।