সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ রায় দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- কুমিল্লার হোমনা উপজেলার রাজনগর গ্রামের মো. ফুল মিঞার ছেলে মো. শামীম মিয়া ও একই উপজেলার সাফলেজি গ্রামের মো. বেদন মিয়ার ছেলে মো. দুলাল মিয়া। রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামিরা।
.png)
জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার ফয়সালের সঙ্গে আসামি শামীম মিয়ার কলেজপড়ুয়া বোন মেহেদী আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই প্রেমের জেরে ২০২০ সালের ৫ জুন ফয়সালকে গলা কেটে হত্যা করেন শামীম। পরে মরদেহ স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের মাঠে পুঁতে রাখেন। ঘটনার আট দিন পর তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মো. শামীম মিয়া ও মো. দুলাল মিয়াকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের দেখানো স্থান থেকে ফয়সালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়। ওই মামলায় ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনা করে তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শেখ মাসুদ ইকবাল মজুমদার ও মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশা করছি উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বিমল কৃষ্ণ দেবনাথ বলেন, এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শিগগিরই উচ্চ আদালতে আপিল করব।