নিহতের নাম স্বর্ণা আক্তার (১৮)। তার স্বামীর নাম সোহেল। নিহতের বাড়ি রাজবাড়ী শহরের দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের কাহারপাড়া এলাকায়।
নিহতের বড় বোন বর্ণা পারভীন বলেন, এক বছর আগে পরিবারের অমতে প্রেম করে স্বর্ণা ও সোহেল বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই সোহেল ঠিকমত আয় রোজগার করতেন না। এ জন্য তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ হতো। আমার বোনের সঙ্গে সোহেলের পরিবারের লোকজন ভালো ব্যবহার করতো না। এ কারণে সে আমাদের বাড়িতে থাকতো।
.png)
তিনি আরো বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে সোহেল আমাদের বাড়িতে আসেন। তারা স্বামী-স্ত্রী ঘরের মধ্যে ছিলো। আমরা বাড়িতেই ছিলাম। তারা স্বামী-স্ত্রী ঘরে রয়েছে বলে আমরা আর তাদের ডাকিনি। বিকেলের দিকে তাদের কোনো সারা শব্দ না পেয়ে ঘরের দরজায় নক করা হলে সোহেল দরজা খোলেন। তারপর দেখি স্বর্ণা মেঝেতে পড়ে আছে। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় স্বর্ণাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক স্বর্ণাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজবাড়ী সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে স্বর্ণা নামে একজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে এখানে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
রাজবাড়ী সদর থানার এসআই আনোয়ার হোসেন বলেন, হত্যার ঘটনায় নিহতের স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তদন্তের পর হত্যার মূল কারণ জানা যাবে।