ফরিদপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত বুধবার এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার।
অভিযুক্তরা হলেন, ফরিদপুরের সোনালী ব্যাংকের মধুখালী শাখার মাঠকর্মী মীর আব্দুর রউফ, এবিএম একরামুল হক, মো. হাফিজুর রহমান, মো. সাহিদুর এবং শাখা ব্যবস্থাপক মো. নাজমুল হাসান।
.png)
অভিযোগপত্রে বলা হয়, উল্লেখিত কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজসে নিজেদের উপরে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও জাল জালিয়াতির আশ্রয় গ্রহণ করে ব্যাংকের স্বার্থ না দেখে একই নামে একাধিক ব্যক্তিকে এবং ভুয়া পর্চা বা জাল পর্চা সৃজন ও দাখিলের মাধ্যমে অকৃষক বা ভূমিহীনদের মধ্যে ও একই পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ঋণ বিতরণ করে সর্বমোট ১ হাজার ১১টি লোন কেসের মাধ্যমে নিয়মবর্হিভূতভাবে ৪ কোটি ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা বিতরণ করেন।
ঋণ বিতরণ পরবর্তী ৬ থেকে ৮ বছর পর্যন্ত অতিবাহিত হওয়ার পরেও তাদের বিরুদ্ধে ওই ঋণ কেসগুলোর বিপরীতে গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫৬০ টাকা আদায় করেন এবং সুদসহ ৫ কোটি ৪৯ লাখ ১৬ হাকার ৩৪৯ টাকা বকেয়া রেখে সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শান্তিযোগ্য অপরাধ করার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়।
এ প্রেক্ষিতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরের প্রাক্তন সহকারী পরিচালক (বর্তমানে উপপরিচালক) কমলেশ মন্ডল আসামীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দাখিল করেন। মামলার তদন্ত শেষে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরের সহকারী পরিচালক সরদার আবুল বাসার তাদের বিরুদ্ধে ফরিদপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।