বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান। এ ঘটনায় ৪০ জনকে আসামি করে রামপাল থানায় মামলা করেন আনসার সদস্য শহিদুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার রাসেলুর রহমান বলেন, এটি কোনো ডাকাতির ঘটনা নয়। চুরির উদ্দেশে সংঘবদ্ধ চোরেরা সেখানে আসে। পরে গার্ডদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। এমন চুরির ঘটনা এখানে নতুন নয়।
.png)
তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় একটি দেশি একনালা বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে। সেটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।
রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৫০-৬০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে। তাদের বাধা দিলে অস্ত্রধারীরা গেটে থাকা নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা করে। নিরাপত্তাকর্মীদের চিৎকারে আনসার সদস্যরা ছুটে যান। এ সময় ডাকাতরা আনসার সদস্যদের ওপরও হামলা করে। আত্মরক্ষার্থে আনসার সদস্যরা গুলি চালায়। এতে ডাকাতরা পিছু হটে। তাদের হামলায় দুই আনসার সদস্যসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে দুইজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর তিনজনকে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।