উদ্ধারকৃতদের মধ্যে সাতজন টেকনাফের রাজমিস্ত্রী ও ১২ জন স্থানীয় বাসিন্দা। দুইজন স্পিডবোটের চালক ও সহকারী।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটের নাফ নদীর নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
.png)
টেকনাফ উপজেলার সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে যাত্রীবাহী আরেক একটি স্পিডবোট ও স্থানীয় জেলেরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাগরে ভাসতে থাকা লোকজনকে তাদের উদ্ধার করে। তবে উদ্ধার হওয়াদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি তিনি।
জানা যায়, দুপুর ১২টার দিকে ৩ শিশুসহ ১৯ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট সেন্টমার্টিন থেকে শাহ পরীর দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দেয়। স্পিডবোটটি নাফ নদীর নাইক্ষ্যংদিয়া পয়েন্টে পৌঁছালে বড় ঢেউয়ের আঘাতে উল্টে যায়। এতে স্পিডবোটে থাকা যাত্রীরা পানিতে ভাসতে থাকে। পরে স্থানীয় জেলেরা ও অন্য একটি যাত্রীবাহী স্পিডবোট তাদের উদ্ধার করে।
সেন্টমাটিন সেন্টমার্টিন স্পিডবোট মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, যে স্পিডবোডটি দুর্ঘটনা হয়েছে এটা আমাদের সমিতির নয় এবং উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি বিহীন। সেন্টমার্টিনের জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে অনুমোদনহীন ও অদক্ষ ড্রাইভার দিয়ে কয়েকটি স্পিডবোট সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফ যাত্রী পরিবহন করে আসছে।