এদিকে, কক্সবাজার পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন এই বৃহত্তর পাহাড়তলীতে অন্তত ১০ হাজার নতুন পুরাতন রোহিঙ্গা বসবাস করে। তাদের মধ্যে অন্তত ৫০০ জন সক্রিয়ভাবে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত বলে জানান স্থানীয় শহীদুল্লাহ, সেলিম, আনোয়ার, আতিকসহ বেশকিছু লোক।
কক্সবাজার পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার ওসমান সরওয়ার টিপু বলেন, কক্সবাজার পৌর এলাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোহিঙ্গার বসবাস হচ্ছে আমার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। তার মধ্যে বৃহত্তর পাহাড়তলীতে বেশি। এখানে পুরাতন কয়েক হাজার রোহিঙ্গা স্থায়ীভাবে বাড়িঘর বা বহুতল ভবন করে বসবাস করছে। তাদের প্রায় সবার ভোটার আইডি, জন্মনিবন্ধনসহ স্কুল-কলেজের সার্টিফিকেট হয়ে গেছে। এখন পুরাতন রোহিঙ্গারাই নতুন করে ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গা এনে এখানে স্থায়ী করছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, তাদের মধ্যে অনেকে মাদক ব্যবসায়ী বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। মোট কথা এখানে ১০০টি অপরাধের মধ্যে ৯০টিই অপরাধ করছে রোহিঙ্গারা। এখানে প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে সাবাড় করছে রোহিঙ্গারা, তাদের আশ্রয় পশ্রয় দিচ্ছে কিছু স্থানীয় প্রভাবশালীরা।
পাহাড়তলীর সমাজকমিটিসহ স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহত্তর পাহাড়তলীতে অন্তত ২০০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আছে, যাদের মধ্যে বড় ধরনের গডফাদার আছে অর্ধশতাধিক আর বাকিরা খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী এবং পাচারকারী এদের মধ্যে বেশির ভাগই রোহিঙ্গা।
তার মধ্যে অন্যতম ইয়াবা ব্যবসায়ী নজির হোসেন, রোহিঙ্গা নাছির উদ্দিন তার স্ত্রী (রোহিঙ্গা) ছেনু তারা প্রতিনিয়ত রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে ইয়াবা এনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করে। তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে অনেক নারী পাচারকারীও।
এ ব্যাপারে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান সবসময় অব্যাহত আছে। আর পাহাড়তলী এলাকার রোহিঙ্গা অধ্যুষিত হওয়ায় এখানে অপরাধ প্রবণতা বেশি। তাই এই এলাকাতে আরো নজরদারি বাড়ানো হবে। এমনকি রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে।