বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত অর্ধশতাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউপি লম্বাবিল, উত্তর পাড়া, উনচিপ্রাং, কাঞ্জর পাড়া, হ্নীলা ইউপির মোলভী পাড়া, ওয়াব্রাং, ফুলের ডেইল, চৌধুরী পাড়া, জালিয়া পাড়া, পৌরসভার নাইট্যং পাড়া, কেকে পাড়া, চৌধুরী পাড়া, জালিয়াপাড়া, কুলাল পাড়া, সাবরাং সীমান্তের পূর্ব দিকে মিয়ানমারের বলি বাজার, কুমিরহালি, নাইচদং, কোয়াংচিগং, শিলখালী, নাফপুরা এ গ্রামগুলোতে সংঘাত চলছে।
.png)
হোয়াইক্যং উনচিপ্রাং এলাকার বাসিন্দা আব্দুল গফুর বলেন, ওপারে নতুন করে গোলাগুলি শুরু হওয়ায় এপারের লোকজন আতঙ্কে ভুগছেন। রাতে ব্যাপক হারে গোলাগুলি ও মর্টার শেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটতে পারে।
হোয়াইক্যং ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ আলম বলেন, হোয়াইক্যংয়ের খারাংখালী সীমান্তে জুমার নামাজের আগ পর্যন্ত থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে। এ সময় সীমান্তের কাছাকাছি চিংড়ির খামারে থাকা বাংলাদেশি লোকজন ভয়ে পালিয়ে এসেছেন।
হোয়াইক্ষং ইউপির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, ঈদের দিন থেকে থেমে থেমে মর্টার শেল ও গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। এতে সীমান্তে বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন,, সীমান্তে কঠোর অবস্থানে আছে বিজিবি। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সুযোগে নতুন করে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধে বিজিবি সর্তক রয়েছে।