রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে র্যাব-৫ এর একটি দল রেন্টুকে তার মাসকাটাদীঘির বাড়ি থেকে আটক করে। এ সময় রেন্টুর বাড়ি থেকে ৮০০ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ১১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও এক সেট বিএসএফ’র পোশাক জব্দ করেছে।
এই কৌশল অবলম্বনের কারণে বিএসএফ কিংবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা তাকে চিনতে পারতেন না। তবে শেষ পর্যন্ত ঐ মাদক পাচারকারী র্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন। আটক ঐ মাদক কারবারির নাম রেন্টু (৪০)। তার বাড়ি রাজশাহীর কাটাখালী থানার মাসকাটাদীঘি এলাকায়। আগে তার বাড়ি ছিল ভারতীয় সীমান্ত সংলগ্ন দুর্গম চর চরখিদিরপুরে।
.png)
র্যাব-৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস জানান, রেন্টু একজন চিহ্নিত মাদক কারবারি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বালুর ব্যবসার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করেন। আর কৌশল হিসেবে বিএসএফের পোশাক পরেই চোরাচালানের জন্য সীমান্তে যেতেন।
র্যাবের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এতে বিজিবি কিংবা বিএসএফের কেউ তাকে দূর থেকে সহজে চিনতে পারতেন না। আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে রেন্টু এ কথা জানিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে কাটাখালী থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার নামে মামলাও করা হয়েছে। ঐ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।