মঙ্গলবার উপজেলার বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে একই চিত্র দেখা গেছে। সেসব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম থাকার ফলে ব্যস্ততা কম পোলিং অফিসার, এজেন্ট এবং প্রিসাইডিং অফিসারদের।
দুপুর ২টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার শীষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, পুরুষ এবং নারী উভয়ের ভোট কক্ষগুলো খালি। সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার, এজেন্ট এবং আনসার সদস্য ছাড়া কোনো ভোটার নেই।
.png)
ওই কেন্দ্রের চার নম্বর কক্ষের পোলিং অফিসার সেলিনা আক্তার টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছেন। ভোটার না থাকায় হাতে তেমন কাজ নেই। ওই বুথের পোলিং এজেন্টরা মেতে আছেন একে অপরের সঙ্গে খোশগল্পে। সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ঘুরাফেরা করছেন বারান্দায়। সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি (সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার) তার আসনে গিয়ে বসেন।
ঘুমিয়ে থাকা পোলিং অফিসার সেলিনা আক্তার কিছুক্ষণ পর সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে জেগে উঠেন। এ সময় তিনি বলেন, ভোটার নেই। তাছাড়া আমি অসুস্থ। বসার স্থানের ওপর বৈদ্যুতিক পাখা না থাকাকে দোষারোপ করে তিনি বলেন, তীব্র গরম পড়েছে। গরমে অসুস্থ হওয়ায় একটু রেস্ট করছিলাম।
এ ছাড়া দেখা যায় ওই কেন্দ্রের একটি বুথের সব পোলিং এজেন্ট বারান্দায় দাঁড়িয়ে খোশগল্প ও হাসাহাসি করছেন। ভোটের বিভিন্ন সমীকরণ নিয়ে একে অপরের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে দেখা গেছে।
ওই কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার মো. হালিম বলেন, সকালের দিকে ভোটার উপস্থিতি ছিল। ১২টার পর থেকে ভোটার নেই। দুপুর ২টা পর্যন্ত এ বুথে ভোট পড়েছে ১০২টি।
উপজেলায় ৫৫টি ভোটকেন্দ্রে ৩৬০টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে। উপজেলায় মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার রয়েছেন।