সোমবার সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে এই ছবি ভাইরাল হয়। তবে অভিযোগ ও ছবির বিষয়টি অস্বীকার করে সাইবার আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান প্রতিষ্ঠানের মালিক অরিফুল ইসলাম।
এদিকে, ভাইরাল সেই পোস্টে কিছু অশ্লীল ছবি দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নদী নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এগুলো পোস্ট করা হয়েছে।
.png)
এতে ভুক্তভোগী লিখেছেন, ‘রাজশাহী একটি শিক্ষা নগরীর শহর। যেখানে অনেক দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা আসে। দারিদ্রতার কারণে অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো জায়গায় পড়ার সুযোগ পায় না। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অনেক অসাধু কোচিং ব্যবসায়ীরা দারিদ্রতার সুযোগ নিয়ে অনেক ছাত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কাজ করে থাকে।’
আরিফ কেমিস্ট্রির নগরীর বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত।
ঐ পোস্টে অভিযোগ আনা হয়, দারিদ্র ছাত্রীদের সঙ্গে অনৈতিক কাজ করে গোপনে তাদের ছবি-ভিডিও ধারণ করে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করে প্রতিষ্ঠানটি। ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নগরীর বোয়ালিয়া থানার ওসি হুমায়ন কবির বলেন, আরিফ তার কোচিং সেন্টারের এক সাবেক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। তবে অন্য কোনো কিছু নেই। এ ঘটনায় আমরা তদন্ত করছি।
এদিকে আরিফ কেমিস্ট্রির একাডেমিক এন্ড এডিমিশনের মালিক আরিফুল ইসলাম বলেন, আমার কোচিং সেন্টারের সাবেক ম্যানেজারের সঙ্গে এক মেয়ের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি তাদের ফোনে ছিলো। এই ফোন কেউ হ্যাক করে সে ছবি দিয়ে আমার কাছেও চাঁদা দাবি করে। সেটা না দেওয়ায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ছবিগুলো ছেড়ে আমাকে ও আমার প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এগুলো নিয়ে আমরা বোয়ালিয়া থানায় মামলা করেছি। তারা এটির আইনগতভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।