বৃহস্পতিবার (২০ জুন) চুক্তিতে হত্যায় অংশ নেয়া উপজেলার কুশংগল ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি রাতে কাজ শেষে নিজ বাড়ি উপজেলার সিদ্ধকাঠি ইউনিয়নের চৌদ্দবুড়িয়া মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি জিয়াউল আহসান ফুয়াদ কাজীকে। এরপরই এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২০ জুন) নলছিটি থানা পুলিশ চুক্তিতে হত্যায় অংশ নেয়া উপজেলার কুশংগল ইউনিয়নের বাসিন্দা আইয়ুব আলী হাওলাদারের ছেলে মিজানুর হাওলাদারকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
.png)
পুলিশ জানায়, ফুয়াদ হত্যায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা পূর্বের আসামিদের জবানবন্দি অনুযায়ী কিলিং মিশনে অংশ নেয়া মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মিজানুর রহমানের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, হত্যায় অংশ নেন দুজন। তার সহযোগী ফুয়াদের কোমর জাপটে ধরেন এবং সে অনবরত কোপাতে থাকেন মিজানুর। মিজানুর জানান, স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার তাদের চার লাখ টাকায় ভাড়া করেছিলেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. মুরাদ আলী জানান, ফুয়াদ কাজী হত্যায় যারা সরাসরি অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার সহযোগীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।