আম বাগানের মালিক মিজানুর রহমান বলেন, শ্রমিকরা বাগানে আম সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ শ্রমিকরা সাপটিকে দেখতে পান। পরে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এ সময় তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে সাপটিকে মেরে ফেলেন। তবে সাপটি কিভাবে এই এলাকায় এসেছে এ বিষয়ে ধারণা নেই আমাদের।
ভোলাহাট উপজেলা বন কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলাম জানান, যেহেতু এই অঞ্চলটি ভারত সীমান্তঘেঁষা ও এই এলাকায় অনেক ঝোপঝাড় রয়েছে। তাই সেখান থেকেও রাসেল ভাইপার আসতে পারে। নদী দিয়েও ভেসে আসতে পারে। এ সময় তিনি কৃষকদের লাঠি হাতে নিয়ে ও রাতের বেলা টর্চ হাতে নিয়ে চলাচলেরও পরামর্শ দেন। তবে সাপ হত্যা না করার অনুরোধও জানান।
.png)
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন এস এম মাহমুদুল রশিদ জানান, চলতি বছর সাপে কেটে কেউ মারা যায়নি। জেলার সব উপজেলার হাসপাতালে অ্যান্টিভেনাম রয়েছে এবং ডাক্তারদের সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।