ভবন মালিক লিটন সিংহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও এটি সাংবাদিকদের কোনো খবর করতে নিষেধ করেন। তিনি বলন, ‘এটি নিউজ করার মতো কিছু না।’
শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বোষপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাটি জানাজানি হয় রাত সাড়ে ১১টার দিকে। ভবনটির মালিক ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে স্থানীয় কয়েকজন অভিযোগ করেছেন।
.png)
নিহত শ্রমিক মো. সামাদের বাড়ি জেলার মেলান্দহ উপজেলার চরপশিলা গ্রামের গ্রামে। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শহরের ব্যবসায়ী লিটন সিংহের নির্মাণাধীন ছয়তলা ভবনের নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মো. সামাদ গতকাল বিকেলে নির্মাণাধীন ওই ভবনের ছাদে শ্রমিকের কাজ করছিলেন। হঠাৎ ছাদ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি জানাজানি হয়। শ্রমিকের মৃত্যু খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকেরা ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু ঘটনাস্থলে কোনো লাশ পাওয়া যায়নি। তবে ভবনের নিচে রক্ত পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাসপাতাল ও থানায় খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজন বলছেন, ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অংশ হিসেবেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের জানানো হয়নি।
ভবনের মালিক লিটন সিংহ বলেন, ‘একজন শ্রমিক মারা গেছেন। এটা গোপন করার কিছু নেই। তবে এটি নিউজ করার মতো কিছু না। আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। এছাড়া আমি ঢাকায় আছি। আমার লোকজন বিষয়টি দেখছে।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনৈক ব্যক্তি বলেন, অঞ্জন কুমার সিংহ লিটনের ছয়তলা ভবনের এ বাড়িটিতে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করছিলেন মো. সামাদ। বিল্ডিং কোড না মানায় ছাদ থেকে পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ঘটনার পরপরই মরদেহ হাসপাতালে নেয়ার কথা বলে গোপন করে বাড়ির মালিকপক্ষের লোকজন। বিষয়টি রহস্যজনক।
জামালপুর সদর থানার ওসি মুহাম্মদ মহব্বত কবীর বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।