জানা যায়, এ নদীর দুপাশের গ্রামগুলো হলো পারনওগাঁ, সরদারপাড়া, ভরিয়াপাড়া, শেখপুরা, রজাকপুর মাদরাসাপাড়া ও বোয়ালিয়া। এসব গ্রামের প্রতিটি মানুষ এখন শহরের সঙ্গে যোগাযোগবিচ্ছিন্ন। সরেজমিনে দেখা যায়, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ঐ ব্রিজটি দিয়েই চলাচল করছেন। ফলে দুর্ঘটনার আশঙ্কায় পড়েছেন মাদরাসা ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীসহ নারী ও শিশুরা। এমন অবস্থায় ব্রিজটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী।
ভরিয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ হোসেন বলেন, ১৫ দিন ধরে আমাদের এই ব্রিজটা ভেঙ্গে পড়ে আছে, আমরা বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত করতে পারছি না। খুবই অসুবিধার মধ্যে দিন পার করছি।
.png)
একই গ্রামের আকাশ জানায়, পিকআপভ্যানের ধাক্কায় ব্রিজটি ভেঙ্গে যায়। আমরা স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনারকে জানিয়েছি। কমিশনার লোকজন নিয়ে এসে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে দিয়েছে। এই ব্রিজটির ওপর দিয়ে স্কুলগামী বাচ্চারা যাতায়াত করে।’
শেখপুরা গ্রামের রিকশাচালক ওয়াসিম বলেন, ‘গ্রামের লোকজনের নওগাঁ শহরে আসার জন্য প্রধান রাস্তা এটা। এখন ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় এই রাস্তা দিয়ে কোনো গাড়ি চলাচল করতে পারছে না। এখন ইরি-বোরো মৌসুম, সবাই ধান রোপণ করার জন্য বীজ ও কীটনাশক সরবরাহ করবে, কিন্তু ব্রিজ ভাঙ্গা থাকায় যাতায়াতের সমস্যা হচ্ছে।
নওগাঁ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আসাদুজ্জাসান সাগর বলেন, ভরিয়াপাড়া-শেখপুরা গ্রামের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। আমাদের পৌরসভার মেয়রকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করছি, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে দ্রুতই বিষয়টি সমাধান হবে। পরিকল্পনা রয়েছে, সেখানে একটি সুন্দর লোহার ব্রিজ নির্মাণ হবে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম রবীন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। ব্রিজটি পৌরসভার। এরই মধ্যে বিষয়টি তাদের জানানো হয়েছে। আশা করছি, অল্প দিনের মধ্যে ব্রিজটি সংস্কারের শুরু হবে।