মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান মোস্তফা স্বপন হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও পারিবারিক নাকি ডাকাতির কারণে হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি তিনি।
এরআগে, গভীর রাতে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড পশ্চিম চরমনসা গ্রামের আদায়কারী নূরু মাস্টার বাড়ির (প্রবাসী) নূরউজ্জামানের ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারসহ নগদ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়ে যায় তারা। নিহত নাজমুন নাহার সৌদি আরব প্রবাসী নূরউজ্জামানের স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানের জননী। তিনি একাই বসবাস করতেন ঘরে। তার বাড়ি থেকে একটু অদূরে বসবাস করেন সৎ ছেলের স্ত্রী ইতি আক্তার। পুত্রবধূ ইতির সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল না। সৎ ছেলে ফারুকও সৌদি আরব থাকেন।
.png)
জানা গেছে, প্রবাসী নূরউজ্জামানদের সবকিছুই মেঘনা নদীর ভাঙনে তলিয়ে গেছে। তারা এক যুগের বেশি ধরে চরমনসা গ্রামে জমিজমা কিনে বসবাস করে আসছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের সুসম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীর স্ত্রী নাজমুন নাহার শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সম্প্রতি পাসপোর্ট করেছেন উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাবেন। কয়েকদিন আগে তার স্বামী নুরুজ্জামান টাকা পাঠান ভারত যাওয়ার জন্য। সেই টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে ঘরে এনে রাখেন।
লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কী কারণে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে এ বিষয়টি তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল পিবিআই ও সিআইডি পুলিশ পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে।