এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে সোনারগাঁ থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম জানান, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের সেকেরহাট গ্রামে তার বাড়ি। শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ১০-১২ জনের একটি মুখোশধারী ডাকাত দল তার বাড়িতে হানা দেয়। বাড়ির সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ ৮০ হাজার টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণ ও মোবাইলসহ প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকার মূল্যবান মালপত্র লুট করে নিয়ে যায়।
.png)
অপরদিকে, একই গ্রামের পনির হোসেনের বাড়িতে ডাকাতরা হানা দিয়ে গেটের তালা ভেঙে আলমারিতে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে সোনারগাঁ থানায় জাহাঙ্গীর আলম ও পনির হোসেন বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর তালতলা ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এলাকাবাসী জানায়, জামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ডাকাত আতঙ্ক বিরাজ করছে। কাঁচপুর ইউনিয়নের বাঘরি গ্রামে এলাকাবাসীর গণপিটুনিতে ৪ ডাকাত মারা যাওয়ার পর কিছুদিন ডাকাতের উৎপাত বন্ধ ছিল। সম্প্রতি ঈদকে সামনে রেখে ডাকাতের উৎপাত বেড়ে যাওয়ার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের তৎপরতাও তেমন দেখা যাচ্ছে না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বর্তমানে রাতে পাহাড়া বসিয়ে ডাকাতি প্রতিরোধে চেষ্টা চলছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি এসএম কামরুজ্জামান (পিপিএম) বলেন, ডাকাতির ঘটনায় অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ডাকাতিতে জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।