দুপুর ১টায় মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবার-স্বজন ও এলাকাবাসীর আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। কান্নায় ভেঙে পড়েন স্ত্রী-সন্তানরা। একই দিন আসরের নামাজের পর তারাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রফিকুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের মরহুম মাহমুদুর রহমান ফিরোজের বড় ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন।
.png)
নিহতের চাচা তারাকান্দি বাজার বনিক সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে আমার ভাতিজা হন। তিনি পাঁচ-ছয় বছর আগে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে যান। এর মাঝে একবার বাড়িতে আসেন। গত এক মাস আগে সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় হঠাৎ হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান। এরপর দীর্ঘ এক মাস আটদিন পর আমরা তার মরদেহ বুঝে পেয়েছি।
মৃত্যুকালে তিনি এক স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।