জানা যায়, চওড়া বিলের মাঝখানে পাশাপাশি ৫ মিটার দৈর্ঘের দুটি ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও নেই সংযোগ সড়ক। ফলে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যাওয়া-আসা করে বিলের দুই পাড়ের পূর্ব পাড়ে নতুন নেওয়ারগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পশ্চিম পাড়ে জহুরা মহিউদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এছাড়াও বিলের পূর্ব পারে আল নূর মসজিদ হওয়ায় বিলের পশ্চিম পারের মুছুল্লিদের বর্ষা মৌসুমে পারাপারে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ দুর্ভোগ লাগবের জন্য নিজ অর্থায়নে বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে পারাপার হচ্ছেন গ্রামবাসী। প্রথম শ্রেণির এ পৌরসভার অনেক জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি নির্মাণে অনেকবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কেউ কথা রাখেননি।
.png)
স্থানীয়রা জানান, ব্রিজটির দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হন শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। ফলে অনেক ঘটে দুর্ঘটনা। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানান তারা।
নেওয়ারগাছা গ্রামের মো. আলমাহমুদ জানান, ব্রিজটির সংযোগ সড়ক না থাকায় বর্ষা মৌসুমে চার গ্রামের শতাধিক শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
উল্লাপাড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সাফিউল কবির জানান, মেয়ের সঙ্গে কথা বলে ব্রিজটির দুই পাশে দ্রুত মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লাপাড়া পৌরসভার মেয়র এস এম নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি শুনেছি। জনগণের সুবিধার্থে দ্রুত সংযোগ সড়কটিতে মাটি ফেলানোর ব্যবস্থা করা হবে।