জানা যায়, দেশব্যাপী অস্থিরতায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে পবিত্র আশুরা ও সাপ্তাহিক ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটায় বেড়াতে এসে আটকে পড়ে অসংখ্য পর্যটক। শুক্রবারের পরে কাছাকাছি বা রাজধানীর বাইরে গন্তব্য এমন পর্যটকরা বিভিন্ন মাধ্যমে কুয়াকাটা ছেড়েছেন। তবে রাজধানীগামী পর্যটকরা নিরাপত্তার কারণে কুয়াকাটায় অবস্থান করেন। আটকা পড়া পর্যটকদের গন্তব্যে পৌঁছে দিতে উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকেই মাইকিং করে পুরো এলাকায় গাড়ি ছাড়ার কথা জানিয়ে দেয়। পরে আটকা পড়া পর্যটকরা পর্যটন হলিডে হোমসের সামনে এসে জড়ো হলে সেখান থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় পর্যটকবাহী বাসগুলো।
.png)
পর্যটক হাসিব উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, আমি ঢাকা মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা গত বুধবার কুয়াকাটা এসেছি দুই সন্তান, পরিবার নিয়ে। শুক্রবার ফিরতে চেয়েছি কিন্তু সেদিন থেকে যানবাহন বন্ধ এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে আমরা কুয়াকাটা ত্যাগ করতে পারিনি। সকালে মাইকিং শুনলাম যে সেনাবাহিনীর পাহারায় পাঠানো হবে তাই সাকুরা গাড়িতে টিকিট নিলাম আশাকরি খুব ভালোভাবে ঢাকায় পৌঁছাতে পারব। গ্রিন লাইনের বাসে ৩২ ও তিনটি সাকুরা বাসে ১১৪ জন এবং সকালে গ্রান্ডপার্ল হোটেল থেকে ১০ পর্যটক কুয়াকাটা ছেড়েছেন।
হোটেল কানশাই ইনের পরিচালক মো. জুয়েল ফরাজি জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের ২০ পর্যটক মঙ্গলবার পর্যন্ত হোটেলে ছিল। তারা শুক্রবার ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও খারাপ পরিস্থিতির কারণে তাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেছি।
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক) প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের মধ্যে যারা আটকা পড়েছিল তাদের সার্বিকভাবে হোটেল-মোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ট্যুর অপারেটররা সহযোগিতা করেছে। আজকের আগেও বিভিন্ন স্থানের অনেক পর্যটক গন্তব্য পৌঁছালেও ঢাকা থেকে আগতরা প্রশাসনের নিরাপত্তায় আজ চলে গেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কৌশিক আহম্মেদ জানান, আটকা পড়া পর্যটকদের চারটি গাড়িতে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।