ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:৩৫, ৩০ জুলাই ২০২৪
শিশুকে অপহরণের পর ধর্ষণ, একজনের যাবজ্জীবন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ফরিদপুরে চতুর্থ শ্রেণির এক মেয়ে শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে একটি মসজিদের ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালর বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম জাহিদ হাসান শাহীন (৩৮)। তিনি বোয়ালমারী উপজেলার মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মাধবপুর গ্রামে একটি মসজিদে ইমামতির চাকরি করতেন।

Advertisement

আদালত ধর্ষণের অভিযোগে জাহিদ হাসানকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয়মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পাশাপাশি অপহরণের অভিযাগে তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি দুটি ধারার দণ্ড একসঙ্গে ভোগ করতে পারবেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর সকাল সাড় ৮টার দিকে ওই শিক্ষার্থী প্রাইভেটে যাওয়ার সময় ইমাম জাহিদ হাসান দুটি মোটরসাইকেলে তার সহযোগীদের সহায়তায় ওই শিশুকে অপহরণ করে নিয়ে যান। এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা ২০১২ সালের ১ ডিসেম্বর জাহিদ হাসানসহ দুইজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে বোয়ালমারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। 

২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বোয়ালমারী থানার এসআই বিপুল চন্দ্র দে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় হতে ওই শিশুকে উদ্ধার ও  জাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করেন। ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিপুল চন্দ্র জাহিদ হাসানকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযাগপত্র (চার্জশিট) প্রদান করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) স্বপন কুমার পাল জানান, রায় প্রদানের সময় ওই আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে জেলা করাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!