এর আগে, ছাত্র জনতার উপর হামলা, মামলা, গণগ্রেফতার, গুম, খুন ও হয়রানির প্রতিবাদে পুলিশি প্রহরায় জুড়ী কলেজ রোড থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জুড়ী কলেজ রোডে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশ শেষ হওয়ার দিকে হঠাৎ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে নিউমার্কেট এলাকায় আসে। এ সময় পুলিশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের থামানোর চেষ্টা করে। ছাত্রলীগ কর্মীরা পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর লাঠিসোটা দিয়ে আক্রমণ করে। তাদের লাঠিপেটায় এ সময় ৩ শিক্ষার্থী আহত হন।
.png)
আহতরা হলেন- আফজাল হোসাইন হাসান, তানভির ও তামিম। তাদের জুড়ী উপজেলা স্বাস্ব্য কেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
আহত সাধারণ শিক্ষার্থী আফজাল হোসাইন বলেন, আমরা মিছিল শেষে নারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ফিরে যেতে সহযোগিতা করছিলাম। হঠাৎ করে ছাত্রলীগ দলগতভাবে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর আক্রমণ করে। মেয়েদের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে গেলে তারা আমাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে, কিল এবং ঘুষি মারে। এ সময় আমি মারাত্মক আহত হই। পরে আমি জুড়ী উপজেলা স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিই।
জুড়ী থানার ওসি (তদন্ত) হুমায়ুন কবির বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে। ছাত্রলীগ ধাওয়া দেওয়ার চেষ্টা করেছে। আমরা পরিস্থিতি শান্ত করেছি।