মিথুন সরকারের বাড়ি শেরপুর জেলার সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের বয়ড়া পালপাড়া গ্রামে।
বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আশেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ছাত্রী ধর্ষণের মামলায় গত বুধবার আসামি মিথুন সরকারের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রোববার আসামি মিথুন সরকার একই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
.png)
বগুড়া আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোসাদ্দেক হোসেন জানান, আদালতের নির্দেশে মিথুন সরকারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছর মিথুন সরকারের সঙ্গে ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিচয় হয়। পরে ধর্মপরিচয় গোপন করে মিথুন ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। গত বছরের ৩ জুন মেয়েটির জন্মদিনে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে কৌশলে শেরপুর উপজেলা শহরের খোন্দকারটোলা এলাকায় একটি বাসায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তরুণী বিষয়টি নিজের পরিবারকে জানালে পরিবার থেকে মিথুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মিথুন তখন বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মামলা থেকে বাঁচার চেষ্টা করেন। তবে প্রতারণা বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী ছাত্রী গত বছরের ১৭ আগস্ট বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতে মিথুন সরকারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।