দুপুর ১টার দিকে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠায়।
মৃত পরীক্ষিত মিস্ত্রী উত্তর সুতালড়ী গ্রামের খগেন্দ্রনাথ মিস্ত্রীর ছেলে।
.png)
নিহতের স্ত্রী সবিতা রানী বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রতিবেশী হালিম হাওলাদার, আউয়াল হাওলাদারের সঙ্গে ১৭ শতক জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে একটি পক্ষের চাপে পড়ে পরীক্ষিত মিস্ত্রী সালিশ বৈঠক এড়াতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন বলেন, পুলিশ এখনো তৎপর হয়নি। অপমৃত্যুর এই ঘটনায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাটে পাঠানো হয়েছে।