সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হাসান জেলার সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য সতর্ক করেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরাও অবৈধভাবে চলা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তোলেন। জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমাও অভিযান চালাতে নির্দেশনা দেন। এরই পেক্ষিতে সোমবার যৌথ অভিযানে নামে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
.png)
অভিযানে সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারের বিআরএম হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়ম পাওয়া যায়। অপারেশন থিয়েটার মানসম্পন্ন নয়, সিজারিয়ানে একই ডাক্তার অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ও অপারেশন করা, ল্যাবের ব্যবস্থাপনা সঠিক না হওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়ম পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমান আদালতে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরিজ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ১৯৮০ এর ১৩ ধারা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ও সিলগালা করা হয়। এছাড়াও সরোজগঞ্জ বাজারের মুন ডায়াগনস্টিক সেন্টারকেও সিলগালা করা হয়।
এর আগে আভিযানিক দল সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ বাজারে অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে মেসার্স ক্রিসেন্ট ফার্মেসি নামে এক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের পাশের আরেকটি শাখাকে চূড়ান্ত সতর্ক করে।
অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এসএম আশিস মোমতাজ। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হাসান ও সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান।
সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে এক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা, তিন প্রতিষ্ঠান সিলগালা ও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।