ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
রাঙ্গামাটির সড়কের ২০ স্থানে পাহাড়ধস

ভয়াবহ বন্যার কবলে বাঘাইছড়ি, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:৫১, ২২ আগস্ট ২০২৪
ভয়াবহ বন্যার কবলে বাঘাইছড়ি, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা। এতে প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার ২০টি গ্রাম বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে প্রায় ৩ হাজার পরিবার ও ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়াও রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম, ঘাগড়া-বড়াইছড়ি-বান্দরবান এবং রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়িসহ তিন সড়কে পাহাড় ধস হয়েছে। এতে সড়কের ২০টি স্থান ধসে গেছে এবং রাঙ্গামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের কেঙ্গেলছড়ি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্থানীরা জানান, বাঘাইছড়ি উপজেলার সদর, রূপকারি ইউনিয়ন, বঙ্গলতলী ইউনিয়ন, সাজেক ইউনিয়ন, মারিশ্যা ইউনিয়ন, বাঘাইছড়ি ইউনিয়ন, খেদারমারা ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলসহ পৌরসভার পুরাতন মারিশ্যা, মাস্টার পাড়া, ঢেবারপাড়া, মধ্যমপাড়া, পশ্চিম মুসলিম ব্লক, কলেজপাড়া, মুসলিম ব্লক, মাদরাসাপাড়া, হাজিপাড়া, বাবুপাড়া, এফ ব্লক, কাচালং বাজার, বটতলী, লাইল্যা ঘোনাসহ ২০টিরও অধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ফলে ৩ শতাধিক মাছের পুকুর এবং শতশত একর জমির ফসল ভেসে গেছে। এতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ।

Advertisement

বাঘাইছড়ির বাসিন্দা শামীম হোসেন জানান, গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে কাচালং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার সাজেক ইউনিয়ন, রূপকারী ইউনিয়ন ও বাঘিাইছড়ি পৌর এলাকায় প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

সাজেক ইউপি সচিব বিশ্বজিৎ চক্রবত্তী বলেন, সাজেক ইউনিয়নে ২০০ পরিবার পানিবন্দি। পানি বন্দিদের জন্য ৪ মেট্রিক টন খাদশ্যস্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রাঙ্গামাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা জানান, সড়ক থেকে পাহাড় ধসের মাটি সরাতে সড়ক বিভাগের লোকজন কাজে নিয়োজিত আছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরিন আক্তার জানান, উপজেলায় ৫৫টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরইমধ্যে ২২টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪৫০ জন বন্যাদুর্গত পরিবারের ১ হাজার ৫০০ মানুষ আশ্রয় গ্রহণ করেছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বন্যাদুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!