শুক্রবার সকালে তারা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
শ্রমিক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঐ কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের তিন মাস ধরে বেতন দিচ্ছে না। এছাড়া স্টাফদের পাঁচ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। বকেয়া বেতনের দাবিতে বুধবার বিকেলে শ্রমিকেরা বিক্ষোভ করেন। তখন কারখানা কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার বেতন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু এদিন বেতন দেওয়া হয়নি। এর ফলে রাতেই কারখানার সমানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কর্মীরা। পরে পুলিশের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান।
.png)
শুক্রবার সকালে কর্মীরা কারখানায় কাজে যোগ দিয়ে বেতন চাইতে যান। পরে তারা শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে সড়কে উভয় দিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
কারখানার কর্মী রায়হান মিয়া বলেন, পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছি না। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। বাসা ভাড়ার জন্য মালিক চাপ দিচ্ছেন। ঘরে জমানো টাকাও শেষ হয়ে গেছে।
কালিয়াকৈর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম বলেন, কয়েকদিন ধরেই ঐ কারখানার শ্রমিক ও স্টাফরা বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। তারা চন্দ্রা এলাকায় অবস্থান করছেন। ঘটনাটি শিল্প পুলিশকে জানানো হয়েছে। এছাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।