শনিবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকার আবুল খানের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় সুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, অটোচালক সুজন প্রতিদিনের মতো গত ২২ আগস্ট ফজরের আজানের পরে তার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আর বাসায় ফিরে আসেননি। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ২৩ আগস্ট বরগুনা থানায় নিখোঁজের ঘটনা উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি করে সুজনের পরিবার। পরে ২৪ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে জাকিরতবক এলাকার আবুল খানের বসতঘরের পেছনের ডোবায় ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে প্লাস্টিকের বস্তা ও মোটা রক সুতা দিয়ে মুখমণ্ডল বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।
.png)
নিহত সুজনের স্ত্রী বলেন, গত পরশু ফজরের নামাজের পরে মাছের ট্রিপ নিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সুজন। পরে মোবাইলে কল করে মুরগি নিয়ে আসার কথা বললে টাকা নেই বলে কল কেটে দেয়। এরপর আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। পরে আমরা থানায় জিডি করেছি। আমার স্বামীর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক, আমি তার বিচার চাই।
বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল হালিম বলেন, এখানে কয়েকদিন আগে একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছিল। এরপর সুজন নামের একজন অটোরিকশাচালক নিখোঁজ হন। পরে থানায় তারা একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। আজ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসে সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠাই। এ সময় জুয়েল নামে একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত চলমান আছে। অপরাধী যেই হোক শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।