মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) উপজেলার নাফ নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় এসব মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয়রা। নিহতদের মধ্যে একজন নারী, চারজন শিশু ও দুইজন পুরুষ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ।
.png)
কক্সবাজারের এনজিও কর্মী মাহবুব আলম মিনার বলেন, আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেক আজকে চার শিশুসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে স্থানীয়ভাবে তাদের দাফন করা হয়। এরমধ্যে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ছিলেন।
টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য ফারিহা ইয়াসমিন বলেন, শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট এলাকার নাফ নদী থেকে চারটি ও পশ্চিমে মেরিনড্রাইভ সংলগ্ন সাগর তীর থেকে একটিসহ পাঁচটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা নাফ নদী থেকে আরো দুটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, টেকনাফের নাফ নদীতে সাতজনের মরদেহ ভেসে এসেছে। মরদেহগুলো উদ্ধার করে দাফন করেছেন স্থানীয়রা।