এদিকে, সকালে হালকা কুয়াশার চাদরে ঢেকে যায় পথঘাট। গাছে গাছে লতা পাতা আর ঘাসের ওপর ঝরছে শিশির বিন্দু। শিশির ভেঙে সবুজ ধানক্ষেতে ছুটে যান চাষিরা । রোদের আলোয় ঘাসের ওপর ঝরে পড়া শিশির বিন্দু চকচক করে ওঠে।
শীতের আগমনী বার্তায় প্রস্তুতিও শুরু করেছে এ এলাকার মানুষ। বস্তাবন্দি রাখা গরম কাপড় বের করতে শুরু করেছে। বিশেষ করে এ সময়ে সন্ধ্যায় হাটে মাঠে ঘাটে জমছে চায়ের আড্ডা। শীতের এই সময়টি উপভোগের দারুণ সময় বলে মনে করেন অনেকে। তবে দিনের বেলায় গরম আর ভোরে কুয়াশার কারণে শীতের আমেজ। এ যেন ঠিক উল্টোটাই ঘটছে এ জেলায়।
.png)
পথচারী আব্দুল বারেক বলেন, সকালে মসজিদে নামাজ পড়তে গেছি কোনো কুয়াশা ছিল না। নামাজ শেষে দেখি চারপাশটা কুয়াশায় অন্ধকার হয়ে গেছে। আর হালকা ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। তবে এই গরমে এ আবহাওয়া যেন বেশ ভালোই লেগেছে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আশ্বিন মাসের মৌসুমি বায়ু কম সক্রিয় থাকায় এবং উত্তরীয় বায়ুর কিছুটা প্রভাব থাকায় শেষ রাতে শীত নেমে আসলে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়। বিশেষ করে মৌসুমি বায়ু যখন বাংলাদেশের ওপর আর সক্রিয় থাকবে না তখন হালকা ধরনের শীত পড়বে। আর শীতের আমেজ তো দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে উত্তরে প্রকট হয়ে থাকে। এর মাত্রা আর অনুভূতি থাকে ভিন্নতর। কিন্তু ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঘনকুয়াশা পড়তে শুরু করছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায়।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেল শাহ্ জানান, সকালে হঠাৎই চারপাশ কুয়াশায় ঢেকে যায়। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত বেশ কুয়াশা ছিল। বুধবার ভোর ৬টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ২৫ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। সামনে তাপমাত্রা কমে শুরু করবে।