ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে গুরুতর আহতরা হলেন- সুমন মিয়া (৩২), জুয়েল মিয়া (৩৬), রঞ্জু মিয়া (৩৮), আলমগীর (২৫), মুজিবুর রহমান (৬০), ফাররদীন মিয়া (২৫), আব্দুল আউয়াল (৪০), সাবেল মিয়া (২৫), সাহাবুদ্দিন (৪০), আনোয়ার হোসেন (৪২), রোজিনা বেগম (৪০), রাবেয়া বেগমকে (৪৫)। তাদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের দিরাই উপজেলা ও জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা যায়, গ্রামের সরকারি দাখিল মাদরাসার সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন আব্দুল মালিক। সভাপতি পদ বিলুপ্তর পর মাদরাসা ফান্ডের টাকা নিয়ে গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মনু মিয়া, তছর মিয়া ও সুফি মিয়ার লোকজনের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে শনিবার সকালে মাদরাসায় বৈঠকে বসে উভয়পক্ষ। বৈঠকের একপর্যায়ে কথা কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুইপক্ষ। ঘণ্টাব্যাপী চলা সংঘর্ষে নারীসহ উভয়পক্ষের অর্ধশতাধিক লোক আহত হন।
.png)
দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্বরত চিকিৎসক রায়হান মিয়া জানান, আহত অনেকেরই শরীরে ছররা গুলি রয়েছে। গুরুতর আহত ১২ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দিরাই থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, মারামারির খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।