এদিকে, গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফজাল হোসেনের অপসারণের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগীরা। এতে অংশ নেন কিশোর-কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্প ও আইসিভিজিডি প্রকল্পের অন্তত ৩০ ভুক্তভোগী।
প্রকল্পের শিক্ষক রাবেয়া লিমা ও জেন্ডার প্রমোটার তানজিলা আফরিন বলেন, উনি কোথাও শূন্য পদ থাকলে তার পছন্দের লোকজনকে কিংবা টাকার বিনিময়ে সেই স্থানে নিয়োগ দেন। কিন্তু কোনো নিয়োগ পরীক্ষা হয় না। এভাবেই তিনি দুর্নীতি করে যাচ্ছেন। কিছুদিন আগে রাতে তিনি আমাদের অনৈতিক প্রস্তাব দিয়েছেন। এবং অফিসে যেতে বলেন কেউ না থাকলে। আমাদের গোসাইরহাটে এমন দুর্নীতিবাজ ও চরিত্রহীন কর্মকর্তা চাই না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তার অপসারণ দাবি করছি।
.png)
তারা আরো বলেন, আফজাল স্যার বিভিন্ন প্রকল্পে প্রায় ২৮ লাখ টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়েছেন। এছাড়াও স্বজন প্রীতি দেখিয়ে তার অফিসের এক কর্মচারীর তিনজন স্বজনকে তিনি প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তিনি আমাদের প্রকল্পের শিক্ষকদের ঠিকমতো বেতন দেন না। এছাড়া তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের নাস্তা বাবদ যে টাকা ধরা হয়েছে তার থেকে কেটে রাখেন। আমরা এ বিষয়ে তাকে কিছু বলতে গেলেই বাজে আচরণ করেন। আমরা তার অপসারণ চাই।
তবে অভিযুক্ত গোসাইরহাট উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আফজাল হোসেন বলেন, আমি ছুটিতে রয়েছি। অনেক কথা মোবাইলে বলা যাবে না। একদিন অফিসে আসলে বিস্তারিত বলব।