শুক্রবার (৪ অক্টোবর) সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা মর্গে প্রেরণ করেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আঙ্গারোয়া বেজাইত্তেপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
তমা আক্তার উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের আঙ্গারোয়া বেজাইত্তেপাড়া গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে ও বাশাটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
.png)
স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপেন্সিল নিয়ে ছোট ভাইয়ের সঙ্গে রাগারাগি হয় তমার। পরে তার ভাইয়ের ব্যাপারে মায়ের কাছে নালিশ করে সে। এ সময় মা তাকে ধমক দেন। এরপর তমা রাগ করে তার ঘরে চলে যায়। পরিবারে কেউ বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দেয়নি।
সন্ধ্যার পর তমার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তার শোবার ঘরে গিয়ে ডাকাডাকি করেন তার মা। সাড়া না দেওয়ায় আশেপাশের লোকজনকে ডাকাডাকি করেন তিনি। লোকজন এসে ঘরের দরজা ভেঙে তমাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ শুক্রবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা মর্গে প্রেরণ করে।
তমা আক্তারের বড় ভাই মেহেদী হাসান বলেন, তমা ছবি আঁকাআঁকি পছন্দ করত। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়িতে থাকা ছোট শিশুরা তার ছবি আঁকার রংপেন্সিল নিয়ে যায়। এ সময় সে মাকে পেন্সিলগুলো এনে দিতে বলে এবং মা তাকে বাজার থেকে নতুন পেন্সিল এনে দেবে বললে রাগে নিজ কক্ষে চলে যায় তমা। একপর্যায়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কক্ষটি ভেতর থেকে বন্ধ দেখে সন্দেহ হলে দরজা ভেঙে তমার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই।
কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার সকালে তমা আক্তার নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণার মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।