ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

গলায় গামছা পেঁচিয়ে বিধবাকে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বার খবরে পলাতক কাশেম

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:৪২, ৮ অক্টোবর ২০২৪
গলায় গামছা পেঁচিয়ে বিধবাকে ধর্ষণ, অন্তঃসত্ত্বার খবরে পলাতক কাশেম
দক্ষিণ আইচা থানা ভবন -ফাইল ছবি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মো. কাশেম নামে এক যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়ে বাকপ্রতিবন্ধী বিধবা নারী ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরে ওই নারীর মা বাদী হয়ে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

এরপর থেকে পলাতক অভিযুক্ত যুবক কাশেম। তিনি দক্ষিণ আইচা থানার চরমানিকা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মোস্তফা ফরায়েজীর ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মে রাতে কাশেম নামে ওই যুবক বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে বাকপ্রতিবন্ধী ওই বিধবা নারীর ঘরে ঢুকে তার মুখে গামছা পেঁচিয়ে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর ওই নারীর গলা চেপে ধরে ঘটনাটি কাউকে না জানাতে বলেন যুবক কাশেম। ঘটনা জানাজানি করলে ওই নারীকে হত্যার হুমকিও দেন তিনি। যার জন্য মৃত্যুর ভয়ে ধর্ষণের বিষয়ে কাউকে জানাননি বাকপ্রতিবন্ধী ওই বিধবা নারী। তবে ধর্ষণের ফলে বর্তমানে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তিনি। বিষয়টি ওই নারীর মা বুঝতে পেরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পুরো ঘটনা তিনি তার মাকে জানান।

Advertisement

অন্তঃসত্ত্বা ওই বিধবা নারীর মা জানান, বাকপ্রতিবন্ধী বিধবা মেয়েকে ৫ বছর আগে বিয়ে দিই। আমার মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ায় বিয়ের দুই মাস পরই তাকে তালাক দিয়ে চলে যায় তার স্বামী। এরপর থেকে সে আমার সঙ্গেই থাকে। গত এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ করে আমার মেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিই। এরপর চিকিৎসক আল্ট্রাসনোগ্রাম করাতে বলেন। রিপোর্ট দেখে চিকিৎসক জানান আমার মেয়ে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এরপর মেয়ের কাছে ইশারায় ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে সে জানায়; পার্শ্ববর্তী কাশেম এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কাশেম তাকে গলায় গামছা পেঁচিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়ের কাছ থেকে ঘটনা জানার পর কাশেমের পরিবারকে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। যার জন্য মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়ের করেছি।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে যুবক কাশেমের বাড়িতে গিয়ে তাকে না পেয়ে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। যার জন্য তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানার ওসি মো. এরশাদুল হক ভূঁইয়া বলেন, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত কাশেম নামে ওই যুবক পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে গ্রেফতারের জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!