শুক্রবার সকালে উপজেলার দরগাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত কমলা খাতুন দরগাহপুর গ্রামের মোবারক গাজীর স্ত্রী।
নিহত ওই নারীর স্বামী মোবারক আলী জানান, প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর তিনি কমলা খাতুনকে বিয়ে করেন। প্রথম পক্ষে খানজাহান আলী নামে তার এক ছেলে আছে। দ্বিতীয় পক্ষে অলিউর ও ফয়জুল নামে দুই ছেলে আছে। পারিবারিক বিরোধের জেরে কমলা খাতুনের সঙ্গে তিনি এক ঘরে থাকতেন না।
.png)
ঘটনার দিন শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পড়তে উঠেন। এ সময় তিনি কমলার ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে তাকে না পেয়ে তিনি খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে বাড়ি থেকে অল্প দূরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে কমলার গলা কাটা মরদেহ দেখতে পান তিনি। সেখানে পাশে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দাঁ ও কমলার ব্যবহৃত একজোড়া চপ্পল পড়েছিল।
আশাশুনি থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম জানান, হত্যার রহস্য উদঘাটনে নিহতের স্বামীসহ তিন ছেলে ও তিন ছেলের বউকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।