জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ভোলায় ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র, ১৪টি কিল্লা (গবাদিপশুর আশ্রয় কেন্দ্র) এবং ১৩৮৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া জরুরি ত্রাণসহায়তা হিসেবে জেলায় বর্তমানে নগদ ৯ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা, ৫৮৪ মেট্রিক টন চাল, ৩৫০ প্যাকেট শুকনা খাবার, শিশুখাদ্য বাবদ নগদ ৫ লাখ টাকা এবং গো-খাদ্যের জন্য নগদ লাখ টাকা বরাদ্দ আছে।
সভায় জেলা সিভিল সার্জন ডা. মনিরুল ইসলাম, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, জেলা ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) এর উপ-পরিচালক আব্দুর রশিদ, ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক লিটন আহমেদসহ বিভিন্ন দফতর ও এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
.png)