ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

বন্দরে কোকেন আটকের দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:২২, ৩০ অক্টোবর ২০২৪
বন্দরে কোকেন আটকের দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
ফাইল ফটো

চট্টগ্রাম বন্দরে আলোচিত কোকেন চালান আটকের ঘটনায় মাদক ও চোরাচালানের দুই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত করেছেন আদালত।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ বেগম সিরাজুম মুনীরার আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামের খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও তার ভাই মোস্তাক আহম্মদ, কসকো-বাংলাদেশ শিপিং লাইনসের ব্যবস্থাপক একেএম আজাদ, সিকিউরিটিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মেহেদী আলম, সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আবাসন ব্যবসায়ী মোস্তফা কামাল, প্রাইম হ্যাচারির ব্যবস্থাপক গোলাম মোস্তফা সোহেল, পোশাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, লন্ডনপ্রবাসী চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ফজলুর রহমান এবং মৌলভীবাজারের বকুল মিয়া।

Advertisement

আদালতের বেঞ্চ সহকারী ওমর ফুয়াদ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে কোকেন চালান আটকের ঘটনায় মাদক ও চোরাচালানের দুই মামলায় ৩১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী ১৯ নভেম্বর আসামিদের ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৭ জুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরে একটি কনটেইনার আটকের পর সিলগালা করে শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর। পরে আদালতের নির্দেশে কনটেইনারটি খুলে ১০৭টি ড্রাম থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সেসব নমুনা ঢাকার বিসিএসআইআর ও বাংলাদেশ ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করলে তরল কোকেনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

ঐ ঘটনায় ২০১৫ সালের ২৭ জুন বন্দর থানায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান খান জাহান আলী লিমিটেডের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ ও  তার ভাই গোলাম মোস্তফা সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা করে পুলিশ। ঐ মামলায় একই বছরের ১১ নভেম্বর নূর মোহাম্মদকে বাদ দিয়ে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে মাদক আইনের অংশের অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা নগর ডিবির তৎকালীন এসি (দক্ষিণ) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

একই বছরের ৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্রের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি হয়। প্রধান আসামিকে বাদ দেওয়ায় ঐ সময় অভিযোগপত্রটি গ্রহণ না করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ মর্যাদার একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে অধিকতর তদন্তের জন্য র‍্যাব-৭ কে দায়িত্ব দেন আদালত। একই সঙ্গে মামলাটিতে চোরাচালানের ধারা সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২০১৭ সালের ২ এপ্রিল মাদক আইনের মামলায় নূর মোহাম্মদকে অভিযুক্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে র‍্যাব।

২০১৯ সালের ২৯ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় ১০ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এর আগে ১০ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। এরপর ঐ বছরের ১৯ মে থেকে ২৩ মে পর্যন্ত প্রথম দফায় চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।  ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি চোরাচালান আইনের মামলায় দশ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!