স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগ জানায়, সীমান্তের পাহাড়ি গ্রামগুলোতে চলে আসা বন্যহাতির তাণ্ডব উঠতি আমন ঘিরে আরও বেড়েছে। প্রতিনিয়ত দিনের বেলা ও রাতে অব্যাহত তাণ্ডব চলে আসায় স্থানীয় কৃষকরা ক্ষেতের ফসল বাঁচাতে ক্ষেতের চারপাশে বিদ্যুতের সংযোগ দেন ও বৈদ্যুতিক লাইট জ্বালিয়ে রাখেন। এতে ভয়ে হাতির দল ধানক্ষেতে হানা দিতে আসে না।
বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে প্রায় ২০-২৫টি বন্যহাতির একটি দল বাতকুচি পাহাড়ের মৌচাক রাবার বাগান এলাকায় আমন ধানের ক্ষেতে খাবারের সন্ধানে নামে। এ সময় পাশে থাকা বৈদ্যুতিক লাইনের স্পর্শে এলে একটি হাতি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সঙ্গে থাকা অন্যান্য হাতিরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে সেখানে তাণ্ডবলীলা চালায় ও মৃত হাতিটিকে ঘিরে রাখে। ফলে ভয়ে ফসল রক্ষায় বা হাতিটিকে উদ্ধারে কেউ এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি।
.png)
খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটর ও কিছু তারসহ পরিবহনকারী ভ্যান চালক শহিদুল ইসলাকে আটক করে।
এদিকে শুক্রবার সরেজমিনে পদির্শনে আসে শেরপুরের সহকারী বন সংরক্ষক সাদিকুল ইসলাম খান।
তিনি জানান, বৈদ্যুতিক জেনারেটরের শকে একটি বন্যহাতি মারা গেছে। এ ঘটনায় সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধেও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়ের করা হবে।