নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৩ নভেম্বর থেকে কারখানার শ্রমিকরা অযৌক্তিক দাবিতে, কারখানায় প্রবেশ করলেও কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে সারাদিন বসে থেকে বিকেলে কার্ড পাঞ্চ করে বেরিয়ে যান। বারংবার অনুরোধ সত্ত্বেও শ্রমিকরা কাজে ফিরে যেতে রাজি না হওয়ায় এ কার্যকলাপকে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী অবৈধ ধর্মঘট বলে অভিহিত করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শ্রমিকদের এমন আচরণে কারখানার কর্মপরিবেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতির জটিলতার কারণে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ১৩(১) ধারার আওতায় সব কর্মকর্তা, কর্মচারী, এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও কারখানার সম্পত্তির সুরক্ষায় আজ থেকে কারখানার সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
.png)
কারখানার পরিচালনা পর্ষদ আরো জানিয়েছে, পরিবেশ শান্তিপূর্ণ হলে এবং শ্রমিকরা কাজে ফিরে আসতে প্রস্তুত হলে পুনরায় কারখানা চালুর তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।
এই বন্ধ ঘোষণার পর থেকে গাজীপুরে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ বিরাজ করছে। ফ্লোরেন্স ফেব্রিক্সের অনেক শ্রমিক জানান, তাদের পরিবার-পরিজনের ভরণ-পোষণে এই চাকরির উপরেই নির্ভরশীল। তবে, শ্রমিকদের দাবিগুলো কী ছিল তা এখনো স্পষ্ট নয়।
শ্রমিকরা এ বিষয়ে মুখ না খুললেও, এই বন্ধের ফলে শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারখানা বন্ধের এ ধরনের ঘটনা গাজীপুরের অন্যান্য শিল্পকারখানার শ্রমিকদের মধ্যেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।