*চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ৬৫০ জন
*গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ১১ জন
*বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি ৪৫
পৌরবাসী বলছেন, শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ঝোপঝাড়, জঙ্গল, নালাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। নালায় জমে থাকা পানি থেকে জন্ম নিচ্ছে মশা। মশার আক্রমণ থেকে বাঁচতে দুপুর থেকেই কয়েল জ্বালানো অথবা মশা নিধনের ওষুধ স্প্রে করতে হচ্ছে।
.png)
শোলাকিয়া এলাকার বাসিন্দা আরমান জানান, তাদের এলাকায় প্রতিটি বাড়িতেই প্রচুর মশা। দিনেও মশা, রাতেও মশা।পৌর কর্তৃপক্ষ এই বছর একদিন রাস্তায় ফগার মেশিন দিয়ে ওষুধ দিয়েছিল। তারপর আর মশার ওষুধ দেয়নি। মশার কামড়ে তার ছোট ছেলেও জ্বরে আক্রান্ত বলে জানান তিনি।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর এ পর্যন্ত ৬৫০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৬০৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ১১ জন রোগী। এখন পর্যন্ত ভর্তি আছেন ৪৫ জন।
সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু বিস্তার রোধে কাজ করছেন সবাই। মশা মারা বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ পৌরসভার। ব্যক্তি পর্যায়েও এর উদ্যোগ নেয়া উচিত। তারা মানুষকে সচেতন করার জন্য কাজ করছেন। ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসার সব ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় ওষুধপথ্যও আছে বলে জানান তিনি।
কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক ডিডি এলজি বলেন,পৌর এলাকার ঝোপঝাড়, জঙ্গল, ড্রেনসহ যে নালাগুলো আছে সেগুলো তারা পরিষ্কার--পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করছেন। সাধারণ মানুষ যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখেন।-পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি জানান, পৌরসভায় ৮টি ফগার মেশিন রয়েছে। এরমধ্যে সব মেশিন সচল আছে। তা দিয়ে মশা নিধনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মশা নিধনের জন্য যথেষ্ট বরাদ্দ আছে বলেও জানান তিনি।