কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি রবি মৌসুমে এ উপজেলায় ১৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বেগুন চাষ করেছেন কৃষক। ক্ষেতের বেগুন গাছগুলো প্রথম দিকে খুবই তরতাজা হয়ে উঠলেও বর্তমানে কৃষকের ক্ষেতের বেগুন গাছের পাতা হলুদ হয়ে মরে যাচ্ছে। বেগুন গাছে ওষুধ দিয়ে রোগ নিরাময় করা যাচ্ছে না। এ কারণে এক গাছ থেকে অন্য গাছ যেন আক্রান্ত না হয়ে সেজন্য আক্রান্ত গাছগুলো ক্ষেত থেকে উপড়ে ফেলে দিচ্ছেন কৃষক। বেগুন ক্ষেত এ রোগে আক্রান্ত হওয়ায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
যমুনা চরের বেগুন চাষিরা জানান, প্রথম থেকে ক্ষেতের বেগুন গাছ বেশ হৃষ্টপুষ্ট ছিল। গাছে ফুল ও ফল আসায় উৎপাদিত বেগুন থেকে আশানুরূপ লাভবান হবেন এমন আশা নিয়ে বুক বেধে ছিলেন। কিন্তু কিছুদিন পরই পাতা হলুদ রোগে ক্ষেতের গাছগুলোর মধ্যে দু-একটি করে মরে যেতে শুরু করে। এ রোগ থেকে রক্ষা করতে অন্তত ১০ বার ওষুধ স্প্রে করেও গাছ রক্ষা করা যাচ্ছে না। প্রতিদিনই আক্রান্ত গাছ উপড়ে ফেলতে হচ্ছে।
.png)
কৃষকরা আরও জানান, জমি থেকে রোগাক্রান্ত গাছ তুলে ফেলে দেওয়ায় গাছের সংখ্যা কমে গিয়ে জমি ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। এতে করে জমি থেকে বেগুন কম উঠবে। উচ্চ কৃষি উপকরণ কিনে ফসল করে যদি এমন অবস্থা হয় তাহলে বেগুন বিক্রি করে খরচের টাকা তোলা অসম্ভব হবে। এ বেগুন চাষাবাদে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে।
ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম বলেন, খুব সহজেই এ রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তবে এ বিষয়ে পরামর্শ নেয়ার জন্য কোনো কৃষক কৃষি অফিসে আসেননি। তারপরও সরেজমিন এলাকায় গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বেগুন ক্ষেত দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।