অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার নাম খোকন চন্দ্র। তিনি শিবগঞ্জের মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত আছেন।
অভিযোগকারী রাকিবুল হাসান শিবগঞ্জ উপজেলার মেঘাখর্দ্দ গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে ও সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী।
.png)
অভিযোগ পত্রের বরাত দিয়ে রাকিবুল হাসান বলেন, আমি গত ২৪ জুন আদালতে একটা মামলা দায়ের করি। মামলাটি তদন্ত করার জন্য আদালত শিবগঞ্জ থানাকে দায়িত্ব দেন। পরে থানা মামলাটি মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই খোকনকে দায়িত্ব দেয়। এসআই খোকন আসামি পক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা গ্রহণ করে মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দিয়েছেন।
উক্ত প্রতিবেদনে তিনি উল্লেখ করেছেন, আসামি পক্ষের সঙ্গে আমার বাবার মারামারি হওয়ায় শেখ সাদী নামের ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন। যেই তথ্যটি সত্য নয়। শেখ সাদী বর্তমানে সুস্থভাবে বেঁচে আছেন। তার মিথ্যা প্রতিবেদনের কারণে আমরা সঠিক বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
অভিযোগের ব্যাপারে এসআই খোকন চন্দ্র বলেন, অভিযোগের বিষয়টি জানা নেই। তবে যে ঘটনার কথা বললেন সেটা অনিচ্ছাকৃত ভুল। টাইপিং মিস্টেক ছিল। তাছাড়া বাকি সবকিছু ঠিক আছে।
বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) আব্দুর রশিদ বলেন, এমনটা হওয়ার কথা না। অভিযোগ করলে খতিয়ে দেখা হবে। যদিও আজ অভিযোগ করা হয়েছে, তাই কপি এখনো হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।