নিহত মো. মাজেদুলের বাবা আনিচুর রহমান জানান, নিহত সজিবুল ইসলাম ১৭ দিন আগে এমভি আল-বাখেরা জাহাজে গ্রিজারের চাকরি নিয়ে গিয়েছিলেন। কয়েকমাস আগে বিয়েও করেছেন।
অপরদিকে, নিহত মাজেদুল ইসলাম ঝামা বরকাতুল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসার নবম শ্রেণির ছাত্র। পারিবারিক অভাবের কারণে ১১ দিন আগে একই জাহাজে চাকরির উদ্দেশে বাড়ি ছেড়ে যান। কিন্তু রহস্যজনক ওই ঘটনায় দুইজনেরই মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
.png)
পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ সেকাদার আলী জানান, এই এলাকার অন্তত তিনশ’ মানুষ বিভিন্ন জাহাজে চাকরি করেন। আশির দশক থেকে এই এলাকার মানুষ জাহাজে চাকরি শুরু করেন। এসব জাহাজে প্রচুর আয় হলেও শ্রমিকদের নিরাপত্তার ব্যাপারে তারা বরাবরই উদাসীন ছিলেন। এর কারণেই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটল।
মাগুরা মহম্মদপুর থানার ওসি আবদুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে উভয় পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করব।