পরিবারের সদস্যদের দাবি, লামিয়া আক্তার ফিজিকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ জানালার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে গেছে।
নিহত লামিয়া আক্তার ফিজি ফতুল্লার দেওভোগ বাশমুলী এলাকার মীর মোহাম্মদ আলীর মেয়ে।
.png)
নিহতের বড় ভাই আরাফাত জানান, করোনাকালে মুন্না মোল্লার সঙ্গে লামিয়ার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় মুন্না তার প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন রেখে নিজেকে ব্যবসায়ী পরিচয় দেন। বিয়ের পর লামিয়া আক্তার ফিজি জানতে পারেন মুন্নার স্ত্রী আছে এবং তিনি বেকার।
আরাফাত আরো জানান, এরপর থেকেই বিভিন্ন সময় লামিয়ার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন মুন্না। স্বামীর নির্যাতনের পাশাপাশি তার শাশুড়িও নির্যাতন করতেন। তাদের সংসারে একটি দুই বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে। সন্তানের কথা চিন্তা করে ফিজি তার স্বামীকে তালাক না দিয়ে দিনের পর দিন নির্যাতন সহ্য করেন। শেষ পর্যন্ত তারা আমার বোনকে নির্মমভাবে হত্যা করে সপরিবারে পালিয়েছে। আমরা এই হত্যার বিচার চাই।
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই ইমানুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা আত্মগোপন রয়েছেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে তোফাজ্জল নামের একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।