বুধবার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ লাইনসের সামনের সড়ক থেকে গণসংযোগের এ কর্মসূচি শুরু হয়।
কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক তারিকুল ইসলামসহ জেলার একাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
.png)
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা কান্দিরপাড়সহ শহরের ঈদগাহ, মোগলটুলি, রাজগঞ্জ ও সোনালী ব্যাংক এলাকায় এ কর্মসূচি চালান।
এর আগে, গত শনিবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ৬ থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত এ গণসংযোগ কর্মসূচি চলবে।
ওই সংবাদ সম্মেলনে আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি বিশ্বাস করে এই প্রোক্লেমেশন অব রেভ্যুলেশন বাস্তবায়ন ও ঘোষণা জাতীয় এবং ঐতিহাসিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এ অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ ছিল। আমাদের প্রত্যাশা এ ঘোষণাপত্রে জনমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।
উল্লেখ্য, গত ২০২৪ সালের শেষ দিন গত ৩১ ডিসেম্বর ‘মার্চ ফর ইউনিটি কর্মসূচি’ ঘোষণা করে জুলাই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন। শহিদ মিনারের ওই কর্মসূচি থেকেই ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশের কথা ছিলো।