শুক্রবার রাতে ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনে আরিফ সু স্টোর, সুচিত্রা স্টোর, উরতি স্টোরসহ পাশাপাশি থাকা পাঁচটি দোকান পুড়ে যায়। আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের তিনটি বসতবাড়িতেও। এতে দোকানের মালামালসহ ঘরবাড়ির সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
জানা গেছে, শুক্রবার উরতি মজুমদার প্লাস্টিক পণ্যের দোকানসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ২৪ জন কর্মচারী দোকানপাট বন্ধ করে নৌকা ভ্রমণে টেকেরঘাটে যান। রাতে ফিরে তারা দেখতে পান, ভয়াবহ আগুনে তাদের কর্মস্থল ও মালামাল পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
.png)
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে পুলিশ, রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয়রাও সহযোগিতা করেন। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও শনিবার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীসহ পাঁচজন আহত হন।
শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও নেত্রকোণা-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল হক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নেত্রকোণা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান ও পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, নেত্রকোণা পৌরসভার উদ্যোগে সকাল থেকে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ অপসারণের কাজ চলছে। এ কাজে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিও সহযোগিতা করছে।
নেত্রকোণা ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার খান আলম খান জানান, যে দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, সেটি বাজারের অনেক ভেতরে ছিল। আগুন লাগার সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন পরিদর্শনে আসা জনপ্রতিনিধিরা।