প্রথম ট্রেনটি গোপালগঞ্জে পৌঁছালে স্টেশন চত্বরে মানুষের ঢল নামে। বিকেল থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্টেশনে জড়ো হতে থাকেন। ট্রেনটি পৌঁছানোর পর যাত্রীদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। এ সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ট্রেনটি গোপালগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়। পরে রাত ৮টা ৫ মিনিটে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
.png)
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সেলিমুজ্জামান সেলিম জানান, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে আরও একটি ট্রেন যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সকালে গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকার উদ্দেশে আরেকটি ট্রেন চালুর ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি।
ডা. কে এম বাবর বলেন, নতুন ট্রেনে এসি বগি, চেয়ার কোচসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকবে। গোপালগঞ্জের মানুষের জন্য বর্তমান ট্রেনটিকে চূড়ান্ত ব্যবস্থা হিসেবে দেখা হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে যাত্রীপ্রতি ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪৫ টাকা। ফলে কম খরচে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে।
সূচি অনুযায়ী, শনিবার ছাড়া প্রতিদিন ঢাকা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিটে গোপালগঞ্জের উদ্দেশে ট্রেনটি ছেড়ে যাবে। আর গোপালগঞ্জ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।
গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকা রেল যোগাযোগ চালুর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।